March 5, 2011

কী চমৎকার দেখা গেলো মাদারীর খেল! (ডঃ জাফর ইকবাল, দিগন্ত টিভি, দুদক, মতিয়া চৌধুরী, সরকারী কালো আইন।)


ব্যার্থ ঢ়াইষু এরশাদ করিয়াছেন "কে কোথায় চাকরি করবে, তার কীসে লজ্জা পাইতে হবে—এইগুলা যার যার তার তার... "  কথা অবশ্য ঠিক, তবে সম্পর্কিত ঘটনাটা যখন দাঁড়ায় রাজাকারি ফিন্যান্সে আর রাজাকারি মালিকানাধীন টেলিভিষন চ্যানেলের সাংবাদিককে তিরষ্কার, তখন ব্যাপারটা যার যার তার তার থাকে না। "বাংলাদেশী আইডিকার্ড পুষিবো, গলা উঁচাইয়া বলিবো আমি বাংলাদেশী আবার রুজির জন্যে সেই রাজাকারেরেই তাঁবেদারী করিবো" - ঘটনাটা ভয়ংকর ডাবলস্ট্যান্ডার্ডের এবং চরম হিপোক্রেসী।


সেদিন প্রথম আলোতে দেখলাম, "দুর্নীতি দমন কমিশনে সরকারের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে না, মামলা করতে হলে সরকারের অনুমতি লাগবে" এবং "দুদকের নিম্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে না।"- এটাও সেইম, "একটা চোরের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে আরেকটা বড় চোরের অনুমতি নিতে হবে" - এই আইন যেমন দেশের মানুষের কোন কল্যান বয়ে আনে না, বরং সরকারী দলের পক্ষে একটা মেরুদন্ডহীন এবং তাঁবেদার শ্রেনীর সৃষ্টি করে। দেশের জন্য চরম অকল্যানকর এই আইন কিভাবে পাশ হলো ভেবে অবাক হই।

ঠিক তেমনি রাজাকারের পয়সায়র লবন খেয়ে তার গুনগেয়ে আবার জোর গলায় নিজের... বাংলাদেশী পরিচয় প্রকাশ করা একই রকম হিপোক্রেসী। "সাংবাদিক তার কাজ করতে গেছেন, দল করতে যাননি" - এইসব ছেঁদো কথা বইলা লাভ নাই কোন, তার সার্ভিসটা সেই রাজাকারি চ্যানেলের ট্রান্সমিশন চালু রাখতে আর জাতে উঠতে সুবিধে করবে এটাই ফ্যাক্ট। (একজন দিগন্ত টিভি কর্মীকে মাসকতক আগে প্রশ্ন করেছিলাম, কেন রাজাকারের চ্যানেলে এসেছেন, আগের জব তো খারাপ ছিলো না, উনি জানিয়েছিলেন, উনি আগের চ্যানেলে যেই পদে ছিলেন এখানেও ঠিক সেই পদে তাকে দাওয়াত করে এনেছে দিগন্ত কতৃপক্ষ দশ হাজার বেশী বেতনে এবং "মানি আসলেই ম্যাটারস", তাই বেশী বেতনে এই অফার নিতে ওনার মনে কোন চিন্তা জাগেনি। - সূত্রঃ হা. জা. বি. -জে-ইনফ)

বেগম মতিয়া চৌধুরী কি খেয়ে এই কালো বিল উপস্থাপন করেছেন জানি না, শুধু জানি "দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) কেউ মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করলে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে পাঁচ বছর কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।" - এটুকু চিনি পুরো কালো আইনটার তিক্ততা দুর করতে পারবে না। দেশের কোন কল্যানে এই স্বপ্ন (নাকি দুঃস্বপ্ন) আওয়ামিলীগ দেখছে সেটা আমার বোধের বাইরে।
  
ফুটনোটঃ "টিবুজপাদ" ছপ্টোয়াড়ের প্রেমিক ব্যার্থ ঢ়াইষু, গোলাম আজম খোমেনী উর্ফে খোমেনী ইহসান এবং ডাষ্টবিনের ছালওঠা পাগলা কুত্তা হইতে সাবধানে থাকিবেন, উপরোক্ত ত্রিপক্ষের কোন একপক্ষের কামড়েই জলাতংক হইবার আশংকা শতকরা একশোভাগ।

Disqus for Simple thoughts...