July 1, 2011

মুর্খ কথন ৫ - আসুন, আমরা যার যার এলাকাতে একজোট হয়ে দাঁড়াই, তেল-গ্যাস-খনিজ-বন্দর রক্ষায় একাত্মতা জানাই।

আপনাদের যাদের পক্ষে ঢাকতে ছুটে যাওয়া সম্ভব হবে না, তারা দয়া করে নিজ নিজ এলাকাতে একটু সময় ব্যায় করুন, যাতে ঢাকার রাজপথে আমাদের আর ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্যে লড়তে নামা ভাইবোনেরা মানসিক ভাবে আরো দৃপ্ত থাকে, তারা যাতে মনে না করে এই লড়াইয়ে তারা একা, তারা যেনো বুঝতে পারে, আমরা তাদের একা ফেলছি না, সাথেই থাকছি সম্পূর্ন সমর্থন আর শক্তি নিয়ে।

স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি, পার্ক, অফিস, নিজের বাসার সামনে, যে কোনোখানে দাঁড়ানো সম্ভব। এটা কোনো পলিটিকাল পার্টির প্রতিবাদ সভা নয় যে লোক ভাড়া করে সংখাধিক্য দেখাতে হবে, তেল চকচকে তৈলাক্ত হাসি দিয়ে নেতার পাশে দাঁড়িয়ে একটা ফটো তুলে সেটা বাঁধিয়ে রাখতে হবে। এই আন্দোলন আপনাকে কোনো নাম, যশ, খ্যাতি বা পদ দেবে না। দেবে অহংকার, গর্বকরে মাথা উঁচু করে চলবার অধিকার, নিজের পরবর্তী প্রজন্মকে কিছুটা নিশ্চিত ভবিষ্যত দেবার প্রচেষ্টার গৌরব।

কি করতে হবে? তেমন কিছু না, ৩ জুলাই সমমনাদের নিয়ে দাঁড়িয়ে যান নিজের শহরে, নিজের ক্যাম্পাসে, নিজের এলাকার পার্কে, থানার সামনে, প্রেসক্লাবও হতে পারে। এমনকি এটা হতে পারে স্বতঃস্ফুর্ত মানব বন্ধন। একটু দাঁড়িয়ে দেখুন না একবার, সাথী জুটে যাবেই, দেখবেন।

জ্বালাময়ী স্লোগানের কোনো প্রয়োজন নেই, তবে দৃপ্ত প্রত্যয়ের সাথে বুঝিয়ে দিন এই দাসখৎ বাতিল করতে হবে, নয়তো নিজ ভূমি আর প্রাকৃতিক সম্পদের ন্যায্য মালিকানা ছিনিয়ে নিতে আমরা সরাসরি একজোটে বিপক্ষে দাঁড়াতে বাধ্য হবো, যার পরিমান রাজনীতির মাঠে নিজেদের সেরা মনে করা বাঁদরগুলোর হবে না।

এগিয়ে আসুন, বুক ফুলিয়ে দাঁড়ান। ঠেকিয়ে দিন রাজনৈতিক বেনিয়াদের, গন আন্দোলন পারবে এই দাসখৎ পাল্টে দিতে। সরকার বাধ্য হবে পথে আসতে। আজকে কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী অথবা সমর্থক হিসাবে না, পথে নামুন একজন গর্বিত নাগরিক হিসেবে, দেশের মালিকদের একজন হিসেবে, এক কাতারে।

ঢাকার ব্লগারদের আহ্বান, "ডাক দিয়া যাই, কে কে যাবি আয়"

Disqus for Simple thoughts...