August 7, 2011

জামায়াত নেতাদের মুক্তির মোনাজাতে খালেদা জিয়া এবং অলি আহমদ

জামায়াত নেতাদের মুক্তির মোনাজাতে খালেদা জিয়া এবং অলি আহমদ

প্রথম আলো ০৭-০৮-২০১১

রাজনীতিবিদ ও পেশাজীবীদের সম্মানে আয়োজিত জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া। গতকাল শনিবার রাজধানীর রূপসী বাংলা হোটেলে এই ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম খালেদা জিয়াকে ইফতার মাহফিলে স্বাগত জানান। ইফতারের আগে জামায়াতের নায়েবে আমির আবদুস সুবহান একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের মুক্তি ও খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু এবং সুস্বাস্থ্য কামনা করে মোনাজাত করেন। ক্ষমতাসীন সরকারকে ‘আগ্রাসী শক্তি’ উল্লেখ করে তিনি খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এর থেকে মুক্তি চেয়ে দোয়া করেন। মোনাজাতে খালেদা জিয়া ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি অলি আহমদসহ অন্য নেতারা অংশ নেন।

এর আগে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমাদ স্বাগত বক্তব্যে বলেন, তথাকথিত যুদ্ধাপরাধের মামলায় জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের ১৩ মাস ধরে আটক রাখা হয়েছে। তাঁরা আজ মুক্তভাবে রোজাও রাখতে পারছেন না।

মঞ্চে খালেদা জিয়ার ডানে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমাদ ও বাঁয়ে অলি আহমদসহ চারদলের শরিক ও সমমনা দলের ১৭ জন নেতা বসেন। ইফতারের পর খালেদা জিয়া দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবসহ জামায়াতের কয়েকজন নেতার সঙ্গে চা-চক্রে মিলিত হন। সেখানে সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক বিষয়সহ রোজার পর আন্দোলন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করা হয় বলে জানান একজন নেতা।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আর এ গনি, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, এম কে আনোয়ার, জমিরউদ্দিন সরকার, নজরুল ইসলাম খান, তরিকুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম মিয়া, সহসভাপতি সেলিমা রহমান, রাজিয়া ফয়েজসহ বিভিন্ন স্তরের নেতারা ইফতারে অংশ নেন।

শরিক দলের মধ্যে খেলাফত মজলিসের আমির মুহাম্মদ ইসহাক, বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব আবদুল লতিফ নেজামী, সমমনা দলের মধ্যে জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, বাংলাদেশ ন্যাপ সভাপতি জেবেল রহমান গানি, লেবার পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, এলডিপি সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য রেদোয়ান আহমেদ, কবি আল মাহমুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাকে উপাচার্য এস এম এ ফায়েজ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন, আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান প্রমুখ অংশ নেন


জামায়াতের একটি সূত্র জানিয়েছে, ইফতারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় সংসদের স্পিকার আবদুল হামিদ, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামসহ ২২ জন নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এ ছাড়া বিকল্পধারার সভাপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আবদুল কাদের সিদ্দিকী, জাসদের সভাপতি আ স ম আবদুর রবসহ আরও কয়েকজন নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তবে তাঁরা কেউ-ই আসেননি।

Disqus for Simple thoughts...