July 9, 2016

বাংলাদেশে ঢুকে লাপাত্তা হাজার পাকিস্তানি - লুকিয়ে থাকাদের মধ্যে আহলে সুন্নতপন্থী মাদানী তাবলীগ জামায়াতে আসা উঠতি বয়সী পাকিস্তানির সংখ্যাই বেশী




বাংলাদেশে ঢোকার সময় ইমিগ্রেশনে দেয়া তথ্যে তারা স্থানীয় যে ঠিকানায় থাকার কথা বলেছেন, সেখানে গিয়েও তাদের খুঁজে পায়নি পুলিশ। এর মধ্যে অনেকে আবার খোদ পাকিস্তান দূতাবাসের ঠিকানাও ব্যবহার করেছেন। এদের খুঁজতে প্রতিনিয়ত অভিযান চালাচ্ছে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি)।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে গুলশানে সন্দেহজনক গতিবিধির কারণে আটক হন পাকিস্তান দূতাবাসের কর্মকর্তা আবরার আহমেদ খান। ওই সময় ইসলামাবাদে বাংলাদেশের দূতাবাসের কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে কয়েক ঘন্টা নিখোঁজ করে রাখা হয়। তারও আগে গত বছরের শেষের দিকে পাকিস্তান দূতাবাসের কূটনীতিক ফারিনা আরশাদের বিরুদ্ধে জঙ্গি ‘যোগসাজশের’ অভিযোগ ওঠে।

এর আগে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় পাকিস্তানের তৎকালীন ডেপুটি হাইকমিশনার ইরফান রাজাকে বাংলাদেশ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিলো।

গত বছরের নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে রাজধানীর উত্তরা থেকে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত দুই পাকিস্তানিসহ জেএমবির চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছিলো গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের কাছ থেকে কিছু জিহাদি বই, বিদেশি মুদ্রা, পাসপোর্ট  এবং একটি ‘স্পাই-মোবাইল’ ফোন জব্দ করা হয়। পুলিশ তখন বলেছিলো, ‘স্পাই-মোবাইল’ ফোনটি পাকিস্তানী গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তার।  এ ঘটনায় আটক পাকিস্তানি নাগরিক ইদ্রিস শেখের সঙ্গেই ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিলো দেশটির বাংলাদেশস্থ দূতাবাসের নারী কর্মকর্তা ফারিনা আরশাদের।

এই কী পয়েন্ট গুলি ছাড়াও আরো কিছু জরুরী তথ্য আছে এখানে (নিউজ নেক্সট বিডি)

Disqus for Simple thoughts...