May 26, 2017

ধর্মীয় অধিকারের ধমকিতে বিপন্ন গণতান্ত্রিক অধিকার


বাংলাদেশে ধর্মের ভিত্তিতে মেজরিটিতে আছে মুসলিমেরা। নিয়মিত অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের ভিটে জ্বালিয়ে, কুপিয়ে খুন করে, জবাই করে, বাচ্চা মেয়েদের ধর্ষনের (পূর্নিমা থেকে পূজা দাস, আছে আরও) মতন বিভিন্ন ধর্মীয় অধিকার পালন করে থাকে কিছু ধর্মানুরাগী মুসলিমেরা তা খবরের কাগজে নজর বোলালেই পাবেন। গুলশান হত্যাকান্ডের কৃতিত্বও তাদেরই, সাথে থাকছে ব্লগারদের তালিকা প্রকাশ করে খুনের মতন ধর্মীয় স্বাধীনতা প্রকাশের শান্তিপূর্ন (!) কর্মসুচীও।

ঠিক যেমন গতকাল রাতের আঁধারে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে বিচারদেবী থেমিসের ভাস্কর্য সরিয়ে নিয়েছে সরকার মৌলবাদীদের চাপের মুখে আর প্রতিবাদী নাগরিকেরা শিকার হয়েছে পুলিশের টিয়ার গ্যাস, লাঠিচার্জ আর হয়রানির। এখন সেই মৌলবাদীরাই দাবী করছে সারা বাংলাদেশ থেকে সকল  ভাস্কর্য সরিয়ে নিতে হবে মর্মে।


প্রতিবারই রোজার মাস এলে ঈমানে উদ্দীপ্ত হয়ে ওঠে রেস্তোঁরা বন্ধ করার মতন আবদার করে বসে, মাঝে মাঝে রোজার মাসে কিছু রেস্তোঁরায় হামলাও হয়।

এই মেজরিটিদের ধর্মীয় অধিকারের ধমকিতে বিপন্ন হয়ে পড়ে মাইনরিটির গনতান্ত্রিক অধিকার - খাদ্য।

তোমার রোজা থাকবার দরকার তুমি মুখে চোখে পট্টি বেঁধে রাখো, কে রোজা রাখবে আর কে রাখবে না - সেটা তাদেরই ঠিক করতে দাও না! নন-মুসলিমের কথা বাদ দিচ্ছি। বয়ষ্ক অসুস্থ মুসলিম, একেবারে বাচ্চা আর ঋতুমতী মেয়ের ওপরেও কি তোমার রোজা ফরজ?  - না ফরজ নয়। তবে কেন এই ফালতু গায়ের জোর দেখিয়ে মানবিক অধিকার হরণ করা?



ভিডিওটি পাঠালো এক ছোটভাই, আজ সন্ধ্যায়।

Disqus for Simple thoughts...